নার্সিং ছেড়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল মধুপুর বনের দিনা মৃ

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
https://mail.techvoice24.com/assets/images/logoIcon/logo.png উজ্জ্বল এ গমেজ
https://mail.techvoice24.com/assets/images/logoIcon/logo.png
  ছবি: সংগৃহীত
‘যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে, হবেই হবে দেখা, দেখা হবে বিজয়ে’ জনপ্রিয় সংগীত প্রতিযোগিতার আসর ক্লোজ আপ ওয়ান তোমাকে খুঁজছে বাংলাদেশ-এর থিম সংটির সাথে মিলে গেছে  সফল ফ্রিল্যান্সার দিনা মৃর জীবন।

তিনি পড়ালেখা করেছেন নার্সিংয়ে। কলেজে থিউরিটিক্যাল পড়ার  পাশাপাশি একটা মেডিকেলে নার্সিং প্র্যাকটিসও করেন তিন বছর। কর্তৃপক্ষের অধীনে না থেকে স্বাধীন ভাবে কাজ করার তাগিদ থেকেই  ৬ মাস পরই বদলে ফেলেন জীবনের গতিপথ। স্বপ্ন দেখেন ফ্রিল্যান্সিং করার। স্বপ্ন পূরণে ভর্তি হন ফ্রিল্যান্সিং ইনস্টিটিউটে। নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করেন।

 সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য, দৃঢ় মনোবল, ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রতি ভালোবাসা  আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিই তাকে সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে সাহায্য করেছে। তার লক্ষ্য ছিল অটুট আর বিশ্বাস ছিল হৃদয়ে। সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে আজ তিনি হয়েছেন সফল। তিনি এখন মধুপুরের ইদিলপুরের অগণিত গারো নারী ফ্রিল্যান্সারদের অনুপ্রেরণার উৎস। হয়েছেন হাজারো তারুণ্যের স্বপ্নদষ্টা ও তাদের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা।

টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের ইদিলপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম। চারদিক শাল বনে ঘেরা। এই নিভৃত পল্লীতে   গারো পরিবারে জন্ম দিনা মৃর। মা সিনিয়র নার্স। বাবা ল্যাব টেকনিশিয়ান। ভাই ডাক্তার। স্বামী চাকরি করেন বেসরকারি হাসপাতালে। দিনা নিজে নার্সিংয়ে ডিপ্লোমা করেছেন। পরিবারের সবাই মেডিকেলের সাথে যুক্ত আছেন। বলা যায় মেডিকেল পরিবার।

দিনা বলেন, আসলে আমাদের পরিবারের সবাই যেহেতু মেডিকেলের সাথে যুক্ত, তাই সবার স্বাভাবিক চাওয়া ছিল আমি যেন মেডিকেল লাইনে আমার ক্যারিয়ার গড়ি। নার্সিং শিখি। ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে অনার্সে  ভর্তি হই। এক বছর পড়াশোনা করি। পারিবারিক সিদ্ধান্তে পরের বছর ভর্তি হই রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে। নার্সিং কলেজে থিউরিটিকেল পড়ার সময় আমাদের প্রাকটিকেল প্র্যাকটিসের সুযোগ ছিল। সেখানে  আমি তিন বছর নার্সিংয়ের ডিউটি করেছি।  

২০১৭ সালে নার্সিং পড়ার সময়ে পরিচিত একজন দাদার কাছ থেকে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জানাতে পারেন দিনা। একটা ল্যাপটপ ও ইন্টারনেটের সাহায্যে ঘরে বসে অনলাইনে ডলার আয় করা যায়। এভাবে সারাদেশে অসংখ্য নারী ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে সংসার চালাচ্ছে। আয় করছে। কথাগুলো তার মনে অনুপ্রেরণা দেয়। তখন তারও মনে ইচ্ছে জাগল ফ্রিল্যান্সিং করার।

দিনার ভাষ্য, তিন বছর নার্সিংয়ে পড়ার সময় হাসপাতালে ডিউটি করেছি। অবশ্যই নার্সিং একটা মহান পেশা। তবুও কেনো যেনো অন্যের অধীনে থেকে প্রতিদিন নিয়ম করে আট ঘণ্টা কাজ করাটা ভাল লাগছিল না। তখন দাদার কথায় জীবনের গতিপথ বদলে ফেলি। সিদ্ধান্ত নেই ফ্রিল্যান্সিং করার।

ফ্রিল্যান্সিং তো করবেন, কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং কী,  কীভাবে শুরু করবেন,  কোথায়  প্রশিক্ষণ নিবেন, কিছুই জানতেন না স্বপ্নবাজ এই তরুণী। মনে আছে প্রচণ্ড ইচ্ছেশক্তি। নিজের উপর আছে ভরসা। সেটাকে পুঁজি করে  খুঁজতে থাকেন ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের। এদিকে নার্সিং পড়া শেষ। ৬ মাস কেটে যায় এভাবেই। ২০১৯ সালে একদিন হঠাৎ করে তার ফেসবুকের ওয়ালে ভেসে উঠে  নকরেক আইটি ইনস্টিটিউটের কথা। খুঁজে পান স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ।  

দিনা বলেন, ২০১৭ সালে যখন ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে অনেক শুনছিলাম তখনই আমার মনের মধ্যে ইচ্ছা জাগছিল আমিও এভাবে ফ্রিলান্সিং করব। কিন্তু কোথায় শিখব তা বুঝছতে পারছিলাম না। তখন নার্সিংয়ে পড়ছিলাম। অন্যদিকে মনের সাথেও যুদ্ধ করে পেরে উঠতে পারছিলাম না। নার্সিং করব না ফ্রিল্যান্সিং করব।  ২০১৯ সালে সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে আমি নকরেক আইটি ইনস্টিটিউটের কথা জানলাম। ফ্রিল্যান্সিং কী সেটাই বুঝতাম না।

প্রথমে  আমার কাছে মনে হত যে, ফ্রিল্যান্সিং  মানেই গ্রাফিক ডিজাইন। তাই গ্রাফিক ডিজাইন নিয়েই শিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু নকরেক আইটিতে সে সময় গ্রাফিক ডিজাইন ব্যাচে সিট ছিল না। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে প্রশিক্ষণ নেয়া শুরু করি। প্রথম দিকে একটু বুঝতে কষ্ট লাগলেও। সময়, কঠোর পরিশ্রম ও ডেডিকেশন দেয়ার পর ধীরে ধীরে এই কাজের প্রতি আমার এত ভালোলাগা শুরু হয় যে, পরে   ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়েই সিরিয়াস ভাবে  এগিয়ে যেতে থাকলাম।
 
সব ফ্রিল্যান্সারের শুরুর দিনগুলিতে থাকে নানান ধরনের চ্যালেঞ্জ। দিনার বেলায়ও ব্যতিক্রম হয়নি।  ফ্রিলান্সিংয়ের জন্য প্রয়োজন হয় একটা ভাল ল্যাপটপ বা কম্পিউটার। এটা তার ছিল না।  সে সময় কেনারও সামর্থ্য ছিল না। পরে টাকা ধার করে একটি ভাল কম্পিউটার কিনে নেন তিনি। তখন ভাল করে কম্পিউটার চালানোও জানতেন না। শেখা শুরু করেন। তখন অনেকেই বলত, এগুলো শিখে কিছু হবে না।

শুধু শুধু তুমি সময় নষ্ট করতেছ। তার চেয়ে নার্সিং পেশাটাই তোমার জন্য ভাল ছিল। এমন নানান ধরনের নেগেটিভ কথা শুনতে হয়েছে তাকে। এসব কথায় কান দেননি বা থেমে যাননি  আত্মপ্রত্যয়ী দিনা। মনে ছিল প্রত্যয় আমাকে শিখতেই হবে। ফ্রিল্যান্সিং করতেই হবে। আমি শিখবই। তাই দিনরাত এক করে ভালো মতো শিখার কাজে মনোযোগ দেন তিনি।

নকরেক আইটি ইনস্টিটিউট থেকে  চার মাসের ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স সফলভাবে শেষ করেন। পাশাপাশি নিজেও অনলাইনে শেখার চেষ্টা করেন। প্রশিক্ষণে যা শিখতেন ইউটিউবে সে বিষয়ে আরও নানান অ্যাডভান্স লেভেলের ভিডিও দেখে দেখে নিজেকে ভাল ভাবে দক্ষ করে গড়ে তুলেন। কোর্স শেষ হয়েছে মাত্র এক সপ্তাহ। তখন অনলাইন মার্কেটপ্লেস ‘ফাইভার’-এ প্রথম কাজ পান তরুণ এই ফ্রিল্যান্সার।

দিনা বলেন, আমার কোর্স শেষ হওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যেই ফাইবারে প্রথম কাজ পেয়ে যাই।  কাজটি ছিল ১০ ডলার। কাজটি ছিল শুধুমাত্র একটি ফেসবুক পেজ ক্রিয়েট করা। প্রথম কাজটা আমি অনেক সময় দিয়ে যত্ম করে মনের মতো করে করে দিয়েছি। ক্লায়েন্ট অনেক হ্যাপি হয়েছিল।  এরপর আস্তে আস্তেই আমার অল্প কাজ থেকে অনেক কাজ আসতে শুরু করে। আমি ফাইভার, আপওয়ার্ক, ফ্রিলান্সার ডটকম এবং লোকালি ও কাজ করেছি এবং এখনো আমার একটি টিম আছে তাদের নিয়ে কাজ করছি।
 
দিনার প্রথম আয় ছিল মাত্র ১০ ডলার। এখন মাসিক আয় তিন হাজার ডলার।  মধুপুরের শাল বনের এই নিভৃত পল্লীতে ঘরে বসে এত্ত আয়! কিভাবে সম্ভব হলো? দিনা বলেন, পেশা হিসেবে নার্সিং ভালোই ছিল। সেটি ছেড়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ে এসেছি। পরিবারও প্রথম দিকে সেটিকে ভালোভাবে নেয়নি। যখন মাসে লাখ টাকা আয় করা শুরু করি, তখন পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটেছিল। তাদের আনন্দ আর আমার প্রতি তাদের বিশ্বাস আমাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তবে আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। দৈনিক গড়ে কাজ করেছি ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার মতো। এখনও তাই করে যাচ্ছি।

দিনা বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করছেন। তিনি মনে করেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের শুরুটা ডিজিটাল মার্কেটিং দিয়ে করা উচিত। নিজের অভিজ্ঞতায় তিনি মনে করেন, ডিজিটাল মার্কেটিং নারীদের জন্য রপ্ত করতে সহজ হয়। দেশের অনেক কোম্পানির সঙ্গে কাজ করেছেন দিনা। দেশের বাইরে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, নাইজেরিয়া, জার্মানি, সুইজারল্যান্ডসহ আরো অনেক দেশের কম্পানির সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

এ ছাড়া নকরেক আইটি ইনস্টিটিউটে ডিজিটাল মার্কেটিং ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করছেন। এখানে তিনি ডিজিটাল মার্কেটিং শেখান। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মধ্যে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, লিংকডইন, ইউটিউব মার্কেটিং, এসইও, ডিজাইনের বেসিক পার্ট, ওয়েবের বেসিক পার্ট, ই-মেইল মার্কেটিং এবং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কিভাবে কাজ করতে হয় সেসবও শিখিয়ে থাকেন।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে দিনা বলেন, মাত্র এক সপ্তাহ হয়েছে মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খুলেছি। তখন রাত ৩টা বাজে। ঘুম ঘুম চোখে   দেখি,‘অর্ডার ইজ রানিং।’ তখন মনের আনন্দটা আর ধরে রাখতে পারিনি। সাথে সাথে আমার ট্রেইনারকে খবরটা জানাই। তিনি বলেন, ‘তুমি কাজ পেয়েছ। গ্রেট, অভিন্দন।’ এত কম সময়ের মধ্যে যে কাজ পাব এটি আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না। আনন্দে সে রাতে আর ঘুমাতে পারিনি। এরপর কাজ করতে করতে একদিন আমার কাজ সিঙ্গাপুরের এক ক্লায়েন্টের খুব পছন্দ হয়েছিল।  

তিনি আমাকে সিঙ্গাপুরে গিয়ে কাজ করার অফারও করেছিলেন। ভবিষ্যতে হয়তো বিদেশে গিয়ে কাজ করতেও পারি। আপাতত গ্রামে থেকেই খুব ভালো উপার্জন করছি আমি।  দ্বিতীয় যে অর্ডারটি আমি পাই   কাজটি ভালোমতো করতে পারিনি। অর্ডার বাতিল হওয়ায়  মনটা খুব খারাপ হয়েছিল। থেমে থাকিনি। কেন কাজটি পাইনি সেটার কারণ খুঁজে বের করে নিজেকে তৈরি করেছি। এখন সেই কাজের অর্ডারই বেশি আসছে প্রতিনিয়ত।

করোনাকালে বিধি-নিষেধের দিনগুলোতে বাড়ি থেকেই কাজ করেছেন দিনা। ওই সময়টা ছিল তার জন্য অনেক কঠিন সময়। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত গ্রামে সবচেয়ে বড় সমস্যা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের। উন্নত দেশের সাথে আমাদের দেশের সময়ের পার্থক্য অনেক বেশি।ওখানে যখন দিন, আমাদের এখানে তখন রাত তিনটা। ওই রাতে ক্লায়েন্টের ফাইল পাঠাতে  কখনো খোলা মাঠে, কখনো বাড়ির উঠানের আমগাছতলায় রাউটার, মডেম ঝুলিয়ে কাজ করেছি। গহীন  বনে যেখানে ইন্টারনেট পেতাম, সেখান গিয়েই কাজ করেছি।  
 
সংসার সামলে একজন নারীর ফ্রিল্যান্সিং করা বিষয়টা আসলেও অনেক কঠিন। দিনার ভাষ্য, এটা সত্য যে নারীদের সংসারে অনেক দায়িত্ব থাকে।  যদি সময় ম্যানেজমেন্ট, পরিবারের সাপোর্ট থাকে, তাহলে কঠিনটাও সহজ হয়ে পড়ে। আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেখার জন্য সময় বের করা নির্ভর করে নিজের উপর। কাজকে মন থেকে ভালবাসতে হবে। আমার মূল লক্ষ্য যদি থাকে যেকোন মূল্যে আমাকে সফল হতেই হবে, তাহলে পৃথিবীর কোন শক্তিই আমাকে আটকাতে পারবে না।

এদিক থেকে আমি খুবই হ্যাপি। শুরু থেকেই আমার  স্বামী অনেক সাপোর্টও সাহায্য করেছে। যখন দেখে আমি ক্লায়েন্টের কাজে বিজি, সে নিজে থেকেই বলে তুমি কাজ কর, আমি বাকি কাজ দেখছি। সে আমাকে অনেক সাপোর্ট করে এমনকি সে নিজেও আমাকে ফ্রিলান্সিং কাজেও সাহায্য করে এবং তিনি ও সময় পেলে ফ্রিলান্সিংএর কাজ করেন।

চলতি বছরের এপ্রিলে  তথ্য ও যোগাযাগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী   জুনাইদ আহমেদ পলকের হাত থেকে ফ্রিল্যান্সিং অ্যাওয়ার্ড হিসেবে ল্যাপটপ গ্রহণ করেছেন তরুণ এই  ফ্রিল্যান্সার। এটা তার কাছে একটা    বড় অর্জন বলে মনে করেন তিনি। বিশ্বের বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে দিন দিন নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি পাচ্ছে তার। আয় করছেন হাজারো ডলার। বর্তমানে  ফ্রিলান্সিংয়ের কাজের পাশাপাশি নকরেক আইটি ইনস্টিটিউটেতে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ট্রেইনার হিসেবে কাজ করছেন। এসবই তার জন্য অর্জন হিসেবে দেখছেন।
 
 নতুনদের উদ্দেশে দিনা বলেন, ভালো কাজ পারলে মাসে লাখ টাকা আয় যেমন সম্ভব, তেমনি প্রথমেই অ্যাকাউন্ট খুলেই হতাশ হওয়াও কঠিন কিছু না। ফ্রিল্যান্সিংকে পার্টটাইম চাকরির মতো ভাবা যাবে না। এটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। নিজের সেরা কাজটিই দিতে হবে। নিজের মনকে স্থির করতে হবে।   আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে যে আমি পারব এবং এর শেষ দেখেই ছাড়ব। শুরুতেই আয় নয়। আগে শেখার চিন্তা করতে হবে। পাশাপাশি প্রচুর ধৈর্য থাকতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের ব্যাপারে দিনার কাছে সাহায্য চেয়েছেন কিন্তু পাননি এমনটি হয়নি কখনো। যতটুকু জানেন ততটুকু দিয়েই সবাইকে আন্তরিকভাবে সাহায্য করেন। বর্তমানে নিজের একটা টিম আছে। সেটা দিয়ে নিজের ক্লায়েন্টের কাজ করছেন।  ভবিষ্যতে নিজের দলটিকে আরো বড় করে একটা অ্যাজেন্সি করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। পাশাপাশি এই সেক্টরে যারা কাজ করতে চান, তাদের সহযোগিতা করতে চান। এটিই তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
image

আপনার মতামত দিন